দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। অর্থনৈতিক স্থবিরতা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং জাতীয়তাবাদী উত্তেজনার মধ্যে দেশটির প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলো আজ ভোটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের নির্বাচন শুধু নতুন সরকার গঠনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একই সঙ্গে ২০১৭ সালে প্রণীত সংবিধান সংশোধনের প্রশ্নে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে জনগণ সরাসরি মত দিচ্ছেন।
রাজনৈতিক অস্থিরতার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন। গত তিন বছরে তিনি দেশটির তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং প্রশাসনিক অচলাবস্থা আগাম নির্বাচনের অন্যতম কারণ।
এই নির্বাচনে ভোটাররা পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের ৫০০ সদস্য নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে ৪০০ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন এবং বাকি ১০০টি আসন আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে বণ্টন করা হবে।
সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, কোনো একক দলের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে নির্বাচন শেষে জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনাই বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে সংবিধান সংশোধন নিয়ে গণভোট দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০১৭ সালের সংবিধান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, এতে অনির্বাচিত সিনেট সদস্যদের অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক ভারসাম্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
Ekhoni News