নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পর ফলাফল নিশ্চিত না হয়ে কেউ যেন কেন্দ্র ত্যাগ না করেন—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ভোট দেওয়ার পরও ভোট চুরির আশঙ্কা থাকতে পারে, তাই সচেতন থাকার বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৈঠক শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় জোটভুক্ত দলগুলোর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
গণভোট প্রসঙ্গে জামায়াত আমির আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট বিপুল ব্যবধানে জয়ী হবে। তার মতে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হলে দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং অতীতের বিভিন্ন আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্ভব হবে। তিনি দাবি করেন, ১১ দলীয় জোট বরাবরই সংস্কার ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশের তরুণরা কর্মসংস্থান চায়, তারা দয়া নয়—নিজেদের যোগ্যতায় দেশ গড়তে চায়। তরুণদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ তুলে দেওয়ার প্রস্তুতির কথাও জানান তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০০৮ সালের পর দেশে প্রকৃত গণরায়ের প্রতিফলন হয়নি বলে জনগণের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তবে আসন্ন নির্বাচন ঘিরে মানুষের ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। গ্রামের ভোটাররা নাড়ির টানে নিজ এলাকায় ফিরে গিয়ে ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। তার ভাষায়, রাষ্ট্রের কর্মচারীরা যদি ন্যায়নিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করেন, তবে জনগণের আস্থা ও সম্মান অর্জন করবেন। তিনি বলেন, প্রশাসন যেন কোনো পক্ষপাতিত্ব না করে—এটাই জনগণের প্রত্যাশা।