আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ স্পষ্ট জানিয়েছেন, খেলাধুলার মাঠে রাজনীতির স্থান নেই—এই নীতিতে অটল থেকে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না।
ইসলামাবাদে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ নেওয়া হয়নি; দীর্ঘ আলোচনা ও বিবেচনার পরই সরকার এমন অবস্থানে পৌঁছেছে। তার মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবং ভারত ক্রিকেটকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত এবং পাকিস্তান সে অবস্থানই নিয়েছে।
এই বিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক নাসের হুসাইনও। আইসিসির নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তিনি মন্তব্য করেন, বড় শক্তিধর কোনো দেশ যদি শেষ মুহূর্তে একই ধরনের সিদ্ধান্ত নিত, তাহলে আইসিসি কি একইভাবে কঠোর থাকত? তার এই মন্তব্য ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেট রাজনীতিতে এই ঘটনাকে বড় মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের অবস্থান আইসিসির ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
এর আগে পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় যে দলটি ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে। তবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে পাকিস্তান মাঠে নামবে না।