চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বেয়াদবির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যারা নির্বাচনী মাঠে নারীদের সঙ্গে অশোভন ও অমানবিক আচরণ করছে, তাদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা—এ ধরনের আচরণ বরদাস্ত করা হবে না।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, জামায়াতকে নতুন করে উসকানি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। দলের কর্মীরা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কারও সামনে মাথানত করে না। ধৈর্যের সীমা পরীক্ষা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি সতর্ক করে বলেন, বেয়াদবি করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ১১ দলের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী জোট গড়ে উঠেছে, যা দুর্নীতি, দখলবাজি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে। তার ভাষায়, এই নির্বাচন কার্যত একটি গণভোটের মতো, যেখানে জনগণের রায়ই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
যুবসমাজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম পুরনো ও ব্যর্থ রাজনীতিতে আর আগ্রহী নয়। গত কয়েক দশকের রাজনীতি দেশকে যে সংকটে ফেলেছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে। নতুন ধারার রাজনীতির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে যুবসমাজকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
দল ক্ষমতায় এলে জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সম্পদের হিসাব নিয়মিত প্রকাশ করতে হবে এবং কোনোভাবেই অবৈধ সম্পদ গড়ার সুযোগ থাকবে না।
এছাড়া বেকারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যুবসমাজকে শুধু ভাতা নয়, সম্মানজনক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করে দেশ গঠনে কাজে লাগানোর কথাও তুলে ধরেন তিনি।